১ জুলাই ২০২৪
আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে।
পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ২০+ শিক্ষার্থী আহত।[citation:13][citation:14]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কার বিক্ষোভ, ১ জুলাই ২০২৪
ছবি: সংগৃহীত
২ জুলাই ২০২৪
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উত্তেজনা
দেশের ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশি বাধার মুখে শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
বিএনপি ও অন্যান্য দল আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানায়।[citation:13]
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, ২ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
৩ জুলাই ২০২৪
সরকারের কঠোর অবস্থান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা "আন্দোলনকারীরা রাজাকারের উত্তরসূরি" মন্তব্য করেন।
এই মন্তব্য আন্দোলনকারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
রাতে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশি অভিযান শুরু হয়।[citation:1][citation:6]
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তৃতার প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
৪ জুলাই ২০২৪
🚨 আবু সাঈদ নিহত - প্রথম মৃত্যু
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থী আবু সাঈদ
শটগানের ছররা গুলিতে নিহত হন। তার মৃত্যুর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল
হয় এবং আন্দোলনে এক বাঁক বিন্দু হয়ে ওঠে।
সারা দেশে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে।[citation:6][citation:11]
প্রথম নিহত
আবু সাঈদ - হাত ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে থাকা প্রতীকী মুহূর্ত
ছবি: সংগৃহীত (Wikimedia Commons)
৫ জুলাই ২০২৪
💔 আবু সাঈদের জানাজা ও দেশব্যাপী শোক
আবু সাঈদের জানাজায় হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়।
তার মৃত্যুর প্রতিবাদে রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম-এ বিক্ষোভ হয়।
পুলিশ আরও ১৫ জন শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে।[citation:6][citation:11]
আবু সাঈদের জানাজায় বিশাল জনসমাগম, ৫ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
৬ জুলাই ২০২৪
শিক্ষার্থীদের 'বাংলা ব্লকেড' ঘোষণা
আন্দোলনকারীরা "বাংলা ব্লকেড" কর্মসূচি ঘোষণা করে।
সারা দেশে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করা হয়।
সরকার মোবাইল ইন্টারনেট স্পিড কমিয়ে দেয়।[citation:6][citation:13]
সড়ক অবরোধের দৃশ্য, ৬ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
৭ জুলাই ২০২৪
সংঘর্ষে আরও প্রাণহানি
নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়।
শিল্প এলাকায় শ্রমিকরা আন্দোলনে যোগ দেয়।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সহিংসতার নিন্দা জানায়।[citation:6][citation:11]
নারায়ণগঞ্জে সংঘর্ষের দৃশ্য, ৭ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
৮ জুলাই ২০২৪
📢 সুপ্রিম কোর্টে শুনানি
সুপ্রিম কোর্ট কোটা সংস্কার বিষয়ে শুনানি শুরু করে।
আন্দোলনকারীরা রায়ের অপেক্ষায় থাকে, কিন্তু সরকারি দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকে।
এদিন আরও ৭ জন নিহত হয়।[citation:6][citation:11]
সুপ্রিম কোর্টে শুনানির প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
৯ জুলাই ২০২৪
💀 ব্যাপক গ্রেপ্তার ও গুম
আন্দোলনের নেতৃত্বস্থানীয় ১৪ জনকে গোপনে আটক করা হয়।
বিবিসি বাংলা গণগ্রেপ্তারের খবর প্রথম প্রকাশ করে।
নিহতের সংখ্যা ৫০-এ পৌঁছায়।[citation:2][citation:6]
গ্রেপ্তারের প্রতীকী চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
১০ জুলাই ২০২৪
আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা বাংলাদেশে সহিংসতার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে।
জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে জরুরি বৈঠক ডাকে।
আন্দোলনকারীরা "পয়েন্ট-ব্ল্যাঙ্ক" হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ সংগ্রহ করে।[citation:1][citation:6]
জাতিসংঘে জরুরি বৈঠকের প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
১১ জুলাই ২০২৪
💔 আরও ২১ জন নিহত
যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, উত্তরা-তে পুলিশি গুলিতে ২১ জন নিহত হয়।
রক্তাক্ত শুক্রবার হিসেবে পরিচিত হয় এই দিন।
আন্দোলনকারীরা 'বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ' কর্মসূচি ঘোষণা করে।[citation:6][citation:11]
যাত্রাবাড়ীতে রক্তাক্ত শুক্রবারের দৃশ্য
ছবি: সংগৃহীত
১২ জুলাই ২০২৪
📱 ইন্টারনেট বন্ধের ঘোষণা
সরকার মোবাইল ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করার ঘোষণা দেয়।
বিবিসি বাংলা বিশেষ ব্যবস্থায় সম্প্রচার সচল রাখে।
প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিবিসির মাধ্যমে খবর পেতে থাকে।[citation:6][citation:14]
ইন্টারনেট বন্ধের প্রতীকী চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
১৩ জুলাই ২০২৪
সরকারি বক্তব্য: 'অপত্ম' আন্দোলন
তথ্যমন্ত্রী আন্দোলনকে "অপত্ম আন্দোলন" বলে অভিহিত করেন।
এই বক্তব্য আন্দোলনকারীদের আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যাপক সমাবেশ হয়।[citation:6][citation:14]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সমাবেশ, ১৩ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
১৪ জুলাই ২০২৪
💀 ৩৫ জন নিহত - সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন
সারা দেশে ৩৫ জন নিহত হয়। রাঙ্গামাটি, সিলেট, খুলনা-তে
পুলিশি গুলিতে বহু মানুষ প্রাণ হারায়।
আন্দোলনকারীরা 'বাংলাদেশ বন্ধ' ডাক দেয়।[citation:6][citation:11]
সর্বোচ্চ নিহত
শোক মিছিলের প্রতীকী চিত্র, ১৪ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
১৫ জুলাই ২০২৪
📊 নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়াল
ACLED নিহতের সংখ্যা ২০০-এর বেশি নিশ্চিত করে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ১৫৩ জন নিহতের কথা স্বীকার করে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের খবর শিরোনাম হয়।[citation:1][citation:6]
নিহতের সংখ্যার গ্রাফ
ছবি: সংগৃহীত
১৬ জুলাই ২০২৪
সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশ
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ১৬ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত
৮৩৪ জন নিহতের পরিসংখ্যান প্রকাশ করে।
তবে জাতিসংঘ ও ACLED এই সংখ্যা ১,৪০০-এর বেশি বলে জানায়।[citation:1][citation:6]
সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশের সংবাদ সম্মেলন
ছবি: সংগৃহীত
১৭ জুলাই ২০২৪
💀 সামরিক বাহিনী মাঠে
সামরিক বাহিনী মাঠে নামে। কারফিউ জারি করা হয়
ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জে। তবুও আন্দোলন অব্যাহত থাকে।
আরও ২৫ জন নিহত হয়।[citation:2][citation:6]
সামরিক বাহিনী মোতায়েনের দৃশ্য, ১৭ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
১৮ জুলাই ২০২৪
💀 সামরিক রাইফেল ব্যবহার শুরু
নিরাপত্তা বাহিনী সামরিক রাইফেল ব্যবহার করে শান্তিপূর্ণ
বিক্ষোভকারী ও পথচারীদের উপর গুলি চালায়। বিবিসি
এই সময়ে শত শত মানুষ নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে।
২৯ জন নিহত হয় এই দিনে।[citation:2][citation:7][citation:12]
সামরিক রাইফেল ব্যবহারের দৃশ্য
ছবি: সংগৃহীত
১৯ জুলাই ২০২৪
🌍 আন্তর্জাতিক নিন্দা তীব্র
জাতিসংঘ "লেথাল ফোর্স প্যারাডাইম" প্রয়োগের নিন্দা জানায়।
আমেরিকা, ইইউ নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেয়।
৬৬ জন নিহত হয় এই দিনে। দেশব্যাপী কারফিউ জারি করা হয়।[citation:1][citation:14]
জাতিসংঘের নিন্দা জানানোর প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
২০ জুলাই ২০২৪
💔 ৫০০ ছাড়াল নিহতের সংখ্যা
ACLED নিহতের সংখ্যা ৫০০-এর বেশি নিশ্চিত করে।
সব জেলাতেই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
কারফিউর প্রথম দিনে ২১ জন নিহত হয়।[citation:2][citation:9]
শোক মিছিলের প্রতীকী চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
২১ জুলাই ২০২৪
⚖️ সুপ্রিম কোর্টের রায়: কোটা ৫%
সুপ্রিম কোর্ট কোটা ৫%-এ নামিয়ে আনে।
The New York Times এই রায়কে "আন্দোলনের আংশিক বিজয়" বলে অভিহিত করে।
কারফিউর দ্বিতীয় দিনে ৭ জন নিহত হয়।[citation:1][citation:9][citation:14]
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
২২ জুলাই ২০২৪
আন্দোলনে নতুন মোড়
কোটা সংস্কার ছাড়িয়ে আন্দোলন "গণঅভ্যুত্থান"-এ
পরিণত হয়। দেশের ৬৪ জেলার ৫৩টি জেলায় বিক্ষোভ হয়।
দাবি: শেখ হাসিনার পদত্যাগ। নিহতের সংখ্যা ১৪৬-এ পৌঁছায়।[citation:2][citation:14]
শাহবাগে গণসমাবেশ, ২২ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত
২৩ জুলাই ২০২৪
💔 ৬৫০ ছাড়াল নিহত
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী-তে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড।
জাতিসংঘ স্বাধীন তদন্তের দাবি জানায়।
সরকার ৯৩% চাকরি মেধাভিত্তিক করার ঘোষণা দেয়।[citation:2][citation:9]
শোকের প্রতীকী চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
২৪ জুলাই ২০২৪
💀 যাত্রাবাড়ী গণহত্যা (BBC Investigation)
বিবিসি আই যাত্রাবাড়ী গণহত্যার তদন্ত প্রকাশ করে।
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে অন্তত ৫২ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছিল।
শেখ হাসিনার ফোনকল অডিও ফরেনসিক বিশ্লেষণে দমন-পীড়নের নির্দেশ নিশ্চিত হয়েছে।[citation:10]
বিবিসি তদন্ত
বিবিসি আই তদন্তের প্রতীকী ছবি
ছবি: BBC News
২৫ জুলাই ২০২৪
📰 বিবিসি বাংলার সম্পাদকীয়
বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির
আন্দোলন কভারেজের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখেন।
ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময় বিবিসি বাংলা তথ্যের প্রধান উৎস ছিল।
শেখ হাসিনা প্রথমবার জনসমক্ষে উপস্থিত হন।[citation:14]
বিবিসি বাংলার সম্পাদকীয়র প্রতীকী ছবি
ছবি: বিবিসি বাংলা
২৬ জুলাই ২০২৪
💔 ৭০০ ছাড়াল নিহত
বরিশাল, খুলনা, সিলেট-তে আরও হত্যাকাণ্ড।
আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেয়।
৭৩৮ জন গ্রেপ্তার হয় এই দিনে।[citation:2]
শোক মিছিলের প্রতীকী চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
২৭ জুলাই ২০২৪
সরকারের শেষ চেষ্টা
সরকার সংলাপের প্রস্তাব দেয়, কিন্তু আন্দোলনকারীরা
"পদত্যাগ ছাড়া কোনও সংলাপ নয়" বলে জানায়।
২.১৩ লক্ষ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।[citation:2]
সংলাপ প্রস্তাবের প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
২৮ জুলাই ২০২৪
💔 ৭৫০ ছাড়াল নিহত
ফরিদপুর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ-তে সহিংসতা।
জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল বাংলাদেশে তদন্ত দলের পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
২০০টি মামলা দায়ের করা হয়।[citation:2]
জাতিসংঘের তদন্ত দলের প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
২৯ জুলাই ২০২৪
📊 বিশ্ব গণমাধ্যমে বাংলাদেশ শিরোনাম
BBC, CNN, Al Jazeera, NYT, The Guardian - সবগুলো
সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের গণহত্যা শিরোনাম হয়।
২,০০০+ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার হয়।[citation:14]
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম
ছবি: সংগৃহীত
৩০ জুলাই ২০২৪
শেষ পর্যায়ের আন্দোলন
ঢাকায় ১০ লাখ মানুষ শাহবাগে সমাবেশ করে।
আন্দোলনকারীরা ৫ আগস্টের মধ্যে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেয়।
লাল পতাকা প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে ওঠে।[citation:2][citation:5]
শাহবাগে ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ, ৩০ জুলাই
ছবি: AP Photo/Rajib Dhar [citation:5]
৩১ জুলাই ২০২৪
📊 'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি
"মার্চ ফর জাস্টিস" কর্মসূচি পালন করে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।[citation:2][citation:14]
'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচির প্রতীকী ছবি
ছবি: সংগৃহীত
১ আগস্ট ২০২৪
💀 শেষ পর্যায়ের গণহত্যা
যাত্রাবাড়ী, মিরপুর, উত্তরা-তে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়।
জামায়াত-ই-ইসলামী নিষিদ্ধ করা হয়।
আন্দোলনকারীদের কাছে বিজয় নিশ্চিত।[citation:2]
যাত্রাবাড়ীতে গণহত্যার দৃশ্য, ১ আগস্ট
ছবি: BBC News
২ আগস্ট ২০২৪
💔 ৯০০ ছাড়াল নিহত
ACLED নিহতের সংখ্যা ৯০০-এর বেশি নিশ্চিত করে।
আন্তর্জাতিক চাপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
সরকারের পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। সারা দেশে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।[citation:2]
শোকের প্রতীকী চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
৩ আগস্ট ২০২৪
রাষ্ট্রযন্ত্রের পতনের আগে শেষ দম্পতি
সরকার কারফিউ জারি করে, কিন্তু আন্দোলনকারীরা
রাস্তায় নেমে আসে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়।
ছাত্ররা পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেয়।[citation:2]
কারফিউ জারির প্রতীকী চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
৪ আগস্ট ২০২৪
💀 শেষ রক্তাক্ত দিন - অভ্যুত্থানের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিন
ঢাকায় সর্বশেষ বড় সংঘর্ষে অসংখ্য মানুষ নিহত হয়।
শেখ হাসিনা গোপনে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে থাকেন।
এটি ছিল আন্দোলনের সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন।[citation:2]
সর্বোচ্চ নিহত
শেষ রক্তাক্ত দিনের প্রতীকী চিত্র, ৪ আগস্ট
ছবি: সংগৃহীত
৫ আগস্ট ২০২৪
🏛️ শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও বিজয়
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
এটি ছিল আন্দোলনের চূড়ান্ত বিজয়।
৩৬ দিনের রক্তাক্ত সংগ্রামের পর গণঅভ্যুত্থান সফল হয়।
যাত্রাবাড়ীতে অন্তত ৫২ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছিলেন এই দিনে।
বিবিসি তদন্তে পুলিশের ভূমিকা উন্মোচিত হয়।[citation:2][citation:5][citation:10]
🎉 বিজয় দিবস
শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর বিজয় উল্লাস, ৫ আগস্ট ২০২৪
ছবি: AP Photo/Rajib Dhar, Abid Hasan, Fatima Tuj Johora [citation:5]